পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ-হত্যা: ‘কনডেম সেলে’ ঠাঁই হলো সোহেল-স্বপ্নার
রাজধানীর পল্লবীতে ৮ বছরের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা আক্তারের ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল ৩ জুন রায় ঘোষণা করে প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেয়। এই মামলার বিচার মাত্র ৫ কার্যদিবসে (১৯ থেকে ৩ জুন) সম্পন্ন হয়, যা দেশের ইতিহাসে একটি অভূতপূর্ব ঘটনা। রায়ের পর সোহেল রানাকে কেরানীগঞ্জ কারাগারে এবং স্বপ্না আক্তারকে কাশিমপুর মহিলা কারাগারে 'কনডেম সেলে' রাখা হয়েছে, যেখানে ফাঁসির আসামিদের সাধারণত একসঙ্গে রাখা হয় মনস্তাত্ত্বিক স্থিতিশীলতা রক্ষার জন্য। মামলার পূর্ণাঙ্গ রায় এবং ৭২ পৃষ্ঠার ডেথ রেফারেন্স নথি হাই কোর্টে পাঠানো হয়েছে, যেখানে মৃত্যুদণ্ডের অনুমোদন প্রয়োজন। আসামিদের বিরুদ্ধে জেল আপিল, নিয়মিত আপিল ও বিবিধ আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। ঘটনার পর দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও দ্রুত বিচারের দাবি উঠেছিল। মামলা ১৯ মে দায়ের হয়, ২৪ মে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়, এবং ১ জুন ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ গঠন করা হয়।
কোন পত্রিকা কীভাবে লিখেছে
প্রতিটি পত্রিকা কোথায় দাঁড়িয়েছে