জোরপূর্বক শ্রম ঠেকাতে ট্রাম্পের নতুন শুল্কের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন বাণিজ্য নীতির অধীনে, ৬০টি দেশের উপর জোরপূর্বক শ্রম নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হওয়ার অভিযোগে ১০ থেকে সাড়ে ১২ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে। এই পদক্ষেপটি 'সেকশন ৩০১' তদন্তের ভিত্তিতে গৃহীত হয়েছে, যা অনৈতিক বাণিজ্য চর্চা মোকাবিলার জন্য প্রয়োগ করা হয়। ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ বিশেষভাবে নজর কেড়েছে, যেখানে নতুন বিধিমালা কার্যকর হওয়ার পর জোরপূর্বক শ্রম লঙ্ঘনের প্রমাণ সংগ্রহের জন্য কঠোর মানদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে। ইউরোপীয় কমিশন এ সিদ্ধান্তকে অযৌক্তিক বলে প্রত্যাখ্যান করেছে এবং গত বছরের বাণিজ্যচুক্তির প্রতি নিজেদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। বিশেষজ্ঞ ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো মনে করেন, এই শুল্ক আরোপ জোরপূর্বক শ্রম মোকাবিলায় কার্যকর হবে না এবং বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থায় অন্যান্য শোষণমূলক কর্মপরিবেশের সমাধানে সীমিত প্রভাব ফেলবে। বাংলাদেশসহ ষোলটি দেশের উপর অতিরিক্ত উৎপাদন এবং জোরপূর্বক শ্রম নিয়ন্ত্রণে পর্যাপ্ত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে কিনা তা তদন্তের বিষয় হিসেবে নিয়ে আসা হয়েছে। এই তদন্তের জন্য সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকে ১৭ই মার্চের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে হবে এবং মে মাসের প্রথম সপ্তাহে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশের সরকার এ বিষয়ে এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি, কিন্তু বাণিজ্য সচিব এ তদন্তে ঝুঁকি দেখছেন না এবং আনুষ্ঠানিক চাওয়া হলে প্রতিক্রিয়া জানানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
কোন পত্রিকা কীভাবে লিখেছে
প্রতিটি পত্রিকা কোথায় দাঁড়িয়েছে