বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে বাজেট বক্তৃতায় সুনির্দিষ্ট রূপরেখা নেই, বলছেন পরিবেশবাদীরা
২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা না থাকায় পরিবেশবিদদের উদ্বেগ বাড়ছে। বাজেটে বায়ুর মান পর্যবেক্ষণের জন্য ১৫টি ক্যামস ও ১৬টি সি-ক্যামস স্থাপনের প্রস্তাব রয়েছে, এছাড়াও ১০টি আধুনিক ভেহিকেল ইন্সপেকশন সেন্টার ও বৈদ্যুতিক বাস সেবা চালুর কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ঢাকার বায়ুদূষণের প্রধান উৎস—পুরনো যানবাহন, অবৈধ ইটভাটা, নির্মাণকাজের ধুলা ও শিল্পকারখানার নির্গমন—এগুলো নিয়ন্ত্রণের কোনো স্পষ্ট পরিকল্পনা নেই। বায়ুমণ্ডলীয় দূষণ অধ্যয়নকেন্দ্র (ক্যাপস) চেয়ারম্যান আহমেদ কামরুজ্জামান মজুমদার বলেন, দূষণের উৎস না বন্ধ করলে পর্যবেক্ষণ কেবল তথ্য সংগ্রহ হবে, কোনো পরিবর্তন হবে না। একই সময়ে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় বাজেটে ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্টের জন্য, এবং আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ রোপণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া প্লাস্টিক বর্জ্য ৩০ শতাংশ কমানোর লক্ষ্য রয়েছে। পরিবেশবিদদের মতে, বাজেটে পর্যবেক্ষণের ওপর জোর দেওয়া হলেও দূষণের মূল উৎস নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় রূপরেখা অনুপস্থিত।
কোন পত্রিকা কীভাবে লিখেছে
প্রতিটি পত্রিকা কোথায় দাঁড়িয়েছে