পর্যটন খাতের বিকাশে ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দ, গুরুত্ব পাবে ইকোট্যুরিজম
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী দেশের পর্যটন খাতকে টেকসই ও পরিবেশবান্ধব ভিত্তির ওপর গড়ে তোলার লক্ষ্যে ইকোট্যুরিজম উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার ঘোষণা করেন। এ লক্ষ্যে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে পর্যটন খাতের মানবসম্পদ উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ এবং সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশে প্রাথমিকভাবে ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) খাত থেকে আরও ৫০০ কোটি টাকা সংগ্রহ করা হবে। পর্যটন খাতের পেশাজীবীদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য আন্তর্জাতিক মানের একটি বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করা হবে এবং রন্ধনশিল্পসহ পর্যটনসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে প্রশিক্ষণ উন্নীত করার জন্য 'ইন্টারন্যাশনাল হসপিটালিটি বেঞ্চমার্ক' নির্ধারণ করা হবে। প্রশিক্ষণার্থীদের জন্য বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মানের সার্টিফিকেশন ব্যবস্থা চালু করা হবে। সরকার পর্যটন খাতের সামগ্রিক সম্ভাবনা, বৈচিত্র্য ও আধুনিক সৃজনশীল ধারণাগুলো অন্তর্ভুক্ত করে একটি সমন্বিত 'পর্যটন মহাপরিকল্পনা' দ্রুত চূড়ান্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে। এছাড়া আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম প্রধান এভিয়েশন হাবে রূপান্তরের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। হযরত শাহজালাল, শাহ আমানত ও ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলোকে পূর্ণাঙ্গ যাত্রী ও লজিস্টিকস হাবে উন্নীত করার পাশাপাশি কক্সবাজার, যশোর, রাজশাহী ও সৈয়দপুর বিমানবন্দরগুলোকে আন্তর্জাতিক গেটওয়ে হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল চালুর প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন এবং প্রায় ৯৪ হাজার বর্গমিটার এলাকাজুড়ে ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করা হয়েছে। সরকারের লক্ষ্য হল পর্যটন খাতের জিডিপিতে অবদান ৬ থেকে ৭ শতাংশে উন্নীত করা।
কোন পত্রিকা কীভাবে লিখেছে
প্রতিটি পত্রিকা কোথায় দাঁড়িয়েছে