পাল্টাপাল্টি হামলা থামানোর ঘোষণা দিলো ইরান-ইসরায়েল
ইরান ও ইসরায়েল গত সপ্তাহে পাল্টা হামলা চালার পর সোমবার (৮ জুন) ভোর পর্যন্ত উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির পর একে অপরের ওপর আক্রমণ বন্ধের ঘোষণা দেয়। এপ্রিলের যুদ্ধবিরতির পর প্রথমবারের মতো সরাসরি সংঘাত শুরু হয়, যা লেবাননের বৈরুতে ইসরায়েলের বিমান হামলার মধ্য দিয়ে সূচিত হয়। ইসরায়েলের দাবি, হামলার লক্ষ্য ছিল ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর ঘাঁটি। এতে কমপক্ষে দুজন নিহত ও ২০ জন আহত হয়। প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি দেওয়ার পর ইরান ইসরায়েলের বিভিন্ন এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে, যার অধিকাংশ প্রতিরোধ করা হয়। ইসরায়েল প্রতিশোধে ইরানের মধ্য ও পশ্চিমাঞ্চলের সামরিক স্থাপনা, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র এবং কারুন পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্সে হামলা চালায়। ইরানের বিপ্লবী রক্ষীবাহিনী (আইআরজিসি) ইসরায়েলের হাইফায় একটি পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্সে হামলা চালায় এবং দক্ষিণ ইসরায়েলের কয়েকটি বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালানোর দাবি করে। ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠী থেকেও একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়, যা আকাশেই ধ্বংস করা হয়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আহ্বানের পর উভয় পক্ষই হামলা বন্ধের ঘোষণা দেয়। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বলেন, ভবিষ্যতে যেকোনো হামলার ক্ষেত্রে শক্তি দিয়ে জবাব দেওয়া হবে। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ভবিষ্যতে হামলা হলে তারা জবাব দেওয়ার প্রস্তুতি রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, পরিস্থিতি এখনো অত্যন্ত নাজুক এবং হরমুজ প্রণালি, লেবানন সীমান্ত ও ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলোর কাছে উত্তেজনা রয়ে গেছে।
কোন পত্রিকা কীভাবে লিখেছে
প্রতিটি পত্রিকা কোথায় দাঁড়িয়েছে