প্রণোদনা প্যাকেজের কার্যকারিতা অর্থনীতির পুনরুদ্ধারের পূর্বশর্ত
বাংলাদেশের অর্থনীতি উচ্চ মূল্যস্ফীতি, বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভের চাপ, রাজস্ব ঘাটতি এবং ব্যাংকিং খাতের তারল্য সংকটের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ ব্যাংক সম্প্রতি ৬০ হাজার কোটি টাকার একটি বিশেষ আর্থিক প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে, যা বেসরকারি খাত সচল রাখা, উৎপাদন বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান রক্ষার লক্ষ্যে কাজ করবে। এছাড়াও, আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে কৃষি, রপ্তানি, পাটজাত পণ্য ও বৈধ রেমিট্যান্স খাতে ৩৩ হাজার ২৫ কোটি টাকা প্রণোদনা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে, যার মধ্যে কৃষি খাতে ১৭ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এগুলোর মধ্যে কৃষকদের সার, ডিজেল, বিদ্যুৎ সহায়তা, কৃষি যন্ত্র ক্রয় অনুদান এবং উন্নত বীজ সরবরাহ ইত্যাদি কার্যক্রমে ব্যয় করা হবে। পাটজাত পণ্যে ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে, যা রপ্তানি সম্পন্ন হওয়ার পর নগদ সহায়তা হিসাবে দেওয়া হবে। অতীতের প্রণোদনা প্যাকেজগুলোর বিতরণে বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও রপ্তানিমুখী খাত বেশি সুবিধা পেলেও ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা, কৃষক এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের অংশগ্রহণ সীমিত ছিল। এই নতুন প্রণোদনা কর্মসূচি যেন প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত উদ্যোক্তা ও কৃষকদের কাছে দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে পৌঁছে যায়, এটাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
কোন পত্রিকা কীভাবে লিখেছে
প্রতিটি পত্রিকা কোথায় দাঁড়িয়েছে