তারুণ্যের শক্তিতে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ
বাংলাদেশের তরুণ জনগোষ্ঠীকে দেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যারা শিক্ষা, প্রযুক্তি, রাজনীতি ও সংস্কৃতিতে অবদান রাখছে। এই তরুণদের মধ্যে প্রায় পাঁচ কোটি তরুণ-তরুণী রয়েছে, যারা প্রতি বছর এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় উল্লেখযোগ্য ফলাফল করে। তারুণ্যের ভূমিকা ইতিহাসের প্রতিটি বাঁকে ছিল—ভাষাসংগ্রাম থেকে গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত সব আন্দোলনে তারা নেতৃত্ব দিয়েছে। একই সময়, বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে শিক্ষা খাতে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬০৬ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করেছে, যা জিডিপির ২ শতাংশ। এটি গত বছরের বরাদ্দের তুলনায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি এবং দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য হিসেবে জিডিপির ৫ শতাংশে শিক্ষা বিনিয়োগ উন্নীত করা। নতুন শিক্ষা কারিকুলামে তৃতীয় ভাষা শিক্ষা (ফরাসি, জাপানিজ, কোরিয়ান, ম্যান্ডারিন, আরবি, জার্মান) বাধ্যতামূলক করা হবে, এবং তৃতীয় ভাষাজ্ঞানসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত বিশেষ ঋণ সুবিধা দেওয়া হবে। ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে কারিগরি শিক্ষা চালু করা হবে, এবং মাদরাসা শিক্ষার আধুনিকায়নে বিজ্ঞান, গণিত, ইংরেজি ও তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষার মান উন্নয়ন করা হবে। মেয়েদের জন্য বিনামূল্যে স্নাতক পর্যন্ত শিক্ষা সম্প্রসারণ এবং দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য স্কুল ইউনিফর্ম, জুতা, ব্যাগ এবং প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য বিশেষ সহায়ক প্রযুক্তি প্রদানের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। দেশব্যাপী মিড-ডে মিল কর্মসূচি সম্প্রসারণ করা হবে। অন্যদিকে, মোজো ব্র্যান্ড তরুণদের লাইফস্টাইলের অংশ হিসেবে 'মোজো বিরাট CARবার' নামে একটি বিশেষ ক্যাম্পেইন চালু করেছে, যেখানে মোজো বা ক্লেমনের বোতলের QR কোড স্ক্যান করে ভোক্তারা পুরস্কার জিততে পারবেন। প্রতিটি ১ লিটার বোতলে ক্রাঞ্চো চিপস এবং ২ লিটার বোতলে চিজ পাফস পাওয়া যাবে।
কোন পত্রিকা কীভাবে লিখেছে
প্রতিটি পত্রিকা কোথায় দাঁড়িয়েছে