অপরাধীকে আল্লাহ যেভাবে শাস্তির আওতায় আনেন

crimeটি সূত্র

ইসলামি নীতিশাস্ত্র অনুযায়ী, আল্লাহর বিরুদ্ধে কৃত অপরাধের মধ্যে সবচেয়ে বড় হলো 'শিরক' বা তাঁর সঙ্গে অংশীদার সাব্যস্ত করা। এছাড়াও নামাজ, জাকাত প্রভৃতি মৌলিক ফরজ ইচ্ছাকৃতভাবে ত্যাগ করা আল্লাহর বিরুদ্ধে অবাধ্যতা হিসেবে গণ্য হয়। আল্লাহ যখন কোনো জালেমকে নেয়ামত বাড়িয়ে দেন, তখন এটি তার সংশোধনের সুযোগ নয়, বরং তার অহংকারকে চূড়ান্ত সীমায় পৌঁছানোর এক ধরনের অবকাশ ('ইস্তিদরাজ')। মানুষের মধ্যে প্রথম হত্যাকাণ্ডের ঘটনা পবিত্র কোরআনে আদম (আ.)-এর পুত্র কাবিল ও হাবিলের ঘটনার মাধ্যমে উল্লেখিত হয়েছে। এই ঐতিহাসিক ধারা বজায় রেখে মানুষ যুগে যুগে হত্যা, লুণ্ঠন ও পৃথিবীতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে চলেছে, যা শরীয়তের পরিভাষায় 'ফাসাদ ফিল আরদ' বা জমিনে বিপর্যয় সৃষ্টির অন্তর্ভুক্ত। কোরআনের অবমাননা হলো আল্লাহ ও তাঁর রাসুল (সা.)-কে অবমাননা করা, যা ইসলামি শরিয়তে মুরতাদ হওয়ার মতো অপরাধ। এর বিভিন্ন রূপ হিসেবে কোরআনের আয়াত নিয়ে উপহাস করা, আয়াত বিকৃত করা, কোরআন পুড়িয়ে ফেলা বা ময়লা লাগানো উল্লেখ করা হয়েছে। এই অপরাধের শাস্তি কঠিন এবং কিয়ামতের দিন অন্ধ অবস্থায় উত্থিত হওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। আল্লাহ তাঁর বান্দাদের প্রতি দয়াশীল হওয়ার কারণে অপরাধীদের শাস্তি বিলম্বিত করেন, যাতে তারা তাওবা করে ফিরে আসার সুযোগ পায়। তবে যখন জালিম ও পাপী তাওবা না করে সীমালঙ্ঘন করে, তখন দুনিয়াতে বা পরকালে বা উভয় জগতেই তাদের শাস্তি দেওয়া হয়।


কোন পত্রিকা কীভাবে লিখেছে

প্রতিটি পত্রিকা কোথায় দাঁড়িয়েছে

ইসলামপন্থী·
Prothom Alo
নিরপেক্ষ
পড়ুন →
Amar Desh
ইসলামপন্থী
পড়ুন →
Naya Diganta
ইসলামপন্থী
পড়ুন →

যেসব পত্রিকা এই সংবাদ কভার করেনি

Bangladesh Pratidinকভার করেনিBBC Banglaকভার করেনিDaily Inqilabকভার করেনিJagonews24কভার করেনিJugantorকভার করেনিKaler Kanthoকভার করেনি