১০ হাজার কোটি টাকা ধার চায় ইসলামী ব্যাংক | বাংলা বাদ দেওয়ার খবর ভিত্তিহীন: শিক্ষামন্ত্রী
কুমিল্লা শাখার ইসলামী ব্যাংকে গত আট কার্যদিবসে প্রায় ৩৫ কোটি টাকা উত্তোলন হয়েছে, যার মধ্যে ৯ জুন একদিনেই প্রায় ৫ কোটি টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। এই ঘটনার পেছনে নতুন চেয়ারম্যান মো. খুরশিদ আলমের নিয়োগের পর সৃষ্ট অনিশ্চয়তা ও ব্যাংকের ভবিষ্যৎ নিয়ে গ্রাহকদের ভয় বলে ব্যাংক কর্মকর্তারা উল্লেখ করেছেন। বেশিরভাগ গ্রাহক তাদের এফডিআর ও ডিপিএসের মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগেই আমানত উত্তোলন করছেন। কুমিল্লা শাখায় সকাল ১০টা থেকে গ্রাহকদের ভিড় ছিল এতটাই বেশি যে তাদের সেবা দেওয়ার জন্য ব্যাংক কর্মকর্তাদের কোনো সময় ছিল না, এবং গ্রাহকদের অপেক্ষার সময় ঘণ্টার পর ঘণ্টা অতিবাহিত হচ্ছিল। একজন গ্রাহক জানান, তার ২০ লাখ টাকা এফডিআর এবং দুই লাখ টাকা সেভিংস অ্যাকাউন্টে ছিল, যা সব উত্তোলন করেছেন। অন্য একজন স্কুলশিক্ষক বলেন, তার ডিপিএস তার শেষ সম্বল, এবং ব্যাংক বন্ধ হয়ে যাবে বলে ভয়ে সব টাকা তুলে নিয়েছেন। এক ব্যবসায়ী জানান, তার ডিপিএস ম্যাচিউর হওয়ার তিন মাস বাকি ছিল, কিন্তু ব্যাংকের পরিস্থিতি দেখে তিনি সব টাকা তুলে ফেলেছেন। গত ২৪ মে মো. খুরশিদ আলম চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পান, এর পর থেকে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে গ্রাহক ও কর্মকর্তাদের বিক্ষোভ শুরু হয়। একই সময়ে চেয়ারম্যান জুবাইদুর রহমান পদত্যাগ করেন এবং প্রথম কর্মদিবসে বোর্ড সভা ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত হয়। সরকারের পক্ষ থেকে বাংলা, ইতিহাস ও দর্শন বাদ দেওয়ার খবর ভিত্তিহীন বলে জানানো হয়েছে।
কোন পত্রিকা কীভাবে লিখেছে
প্রতিটি পত্রিকা কোথায় দাঁড়িয়েছে