বিএনপি নেতার জমি দখল-চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী
নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার বিএনপি সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মতিন মণ্ডলের বিরুদ্ধে জমি দখল, চাঁদাবাজি, ফসল নষ্ট করা ও নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) গাহলী বাজারে ভুক্তভোগী এলাকাবাসী মানববন্ধন করে এই অভিযোগ তুলে ধরেন। তাদের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে মতিন ও তার বাহিনী রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন অপরাধ চালাচ্ছেন। কয়েকজন ভুক্তভোগী জানান, তাদের জমি দখল করা হয়েছে, ঘর ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং মাছ লুটপাট করা হয়েছে। এসব বিষয়ে থানা ও উপজেলা প্রশাসনে অভিযোগ দায়ের করা হলেও কোনো প্রতিকার পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে নওগাঁ জেলা বিএনপির সভাপতি আবু বক্কর সিদ্দিক নান্নু বলেন, অভিযোগগুলো প্রায় সবই আগের দিনের এবং মৌখিক অভিযোগের ভিত্তিতে কোনো সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না; লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করা হবে।
রাজশাহী মহানগরীর শাহ-মখদুম থানার নওদাপাড়া এলাকায় বিএনপির ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য সচিব মো. হারুনুর রশিদ হারানের নেতৃত্বে ভুক্তভোগী মো. মামুনের বাড়ির তালা ভাঙা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মামুন জানান, ২০২৪ সালের ১৭ মে তিনি বাড়ি ক্রয় করে পরিবার নিয়ে বসবাস করছিলেন। মঙ্গলবার রাতে হারানের নেতৃত্বে কয়েকজন ব্যক্তি তার বাড়ির তালা ভেঙে দখল করে। তার দাবি, বাড়ির ভেতরে তার আসবাবপত্র, নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার রয়ে গেছে, কিন্তু তাকে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। হারান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, মামুন ৫ আগস্ট থেকে বাড়িতে ছিলেন না এবং পরে তাকে ফোন করে আইনি পথে বাড়ি ফেরত নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। শাহ-মখদুম থানার ওসি কবির হোসেন জানান, মামুনের স্ত্রী লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন এবং তদন্ত চলছে।
ঝালকাঠির নলছিটি পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের আ. রহিম মল্লিকের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় ঘড়িপয়সা মল্লিকবাড়ির সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। অভিযোগ হিসেবে উঠেছে ভয়ভীতি প্রদর্শন, চাঁদাবাজি, জমি দখলের চেষ্টা এবং মিথ্যা মামলায় জড়ানো। কয়েকজন ভুক্তভোগী দাবি করেন, মামলা প্রত্যাহারের নামে মোটা অঙ্কের অর্থ দাবি করা হয় এবং কারো কারো ঘরে মাদক রেখে হুমকি দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন মামলার আসামীদের মধ্যে গিয়াস মল্লিক, মো. রিয়াজ মল্লিক, আলমগীর খান, মনির মল্লিক, ফারুক গাজী এবং অনেকে উপস্থিত ছিলেন। মানববন্ধনে প্রশাসনের কাছে তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে। রহিম মল্লিকের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
কোন পত্রিকা কীভাবে লিখেছে
প্রতিটি পত্রিকা কোথায় দাঁড়িয়েছে