প্রাথমিকে বিশেষায়িত শিক্ষক লাগবে ৫০–৬০ হাজার
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত শিক্ষা-দর্শন অনুযায়ী দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে এমনভাবে গড়ে তোলা হবে, যাতে শিক্ষার্থীরা বৈশ্বিক নাগরিক হিসেবে বিকশিত হওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে পারে। প্রাথমিক শিক্ষায় সংগীত, নৃত্যকলা, চারুকলা, নাট্যকলা ও ক্রীড়াভিত্তিক শিক্ষার সম্প্রসারণের ফলে আগামী পাঁচ বছরে ৫০ থেকে ৬০ হাজার নতুন বিশেষায়িত শিক্ষক ও প্রশিক্ষকের প্রয়োজন হবে। এতে সংগীত, নৃত্যকলা, চারুকলা, নাট্যকলা ও ক্রীড়া বিষয়ে শিক্ষিত তরুণ-তরুণীদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং এ বিষয়গুলোতে টেকসই ক্যারিয়ার পাথওয়ে গড়ে উঠবে। এ লক্ষ্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সহযোগিতা কামনা করেছে, যাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমে শিক্ষকতা-সম্পর্কিত প্রস্তুতি যুক্ত হয় এবং যৌথভাবে দক্ষ শিক্ষক তৈরি করা যায়। ২০২৭ সালে চতুর্থ শ্রেণির শিল্প ও সংস্কৃতি পাঠ্যবইয়ে চারুকলা, সংগীত, নৃত্যকলা ও নাট্যকলা অন্তর্ভুক্ত হবে এবং ২০২৮ সালে নতুন কারিকুলামে এগুলো পূর্ণাঙ্গভাবে যুক্ত হবে। অন্যদিকে, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, দেশের সব উপজেলা পর্যায়ের ৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করা হবে এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে সারা দেশে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ করা হবে।
কোন পত্রিকা কীভাবে লিখেছে
প্রতিটি পত্রিকা কোথায় দাঁড়িয়েছে