জাতীয় পুনর্জাগরণের প্রধান শক্তি হয়ে উঠতে পারে প্রাথমিক শিক্ষা
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে একটি বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে। এই উদ্যোগের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে ১৩টি নতুন প্রকল্প, যার মধ্যে অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রযুক্তি ব্যবহার বাড়ানো, প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়ন, খেলাধুলার সুযোগ সম্প্রসারণ এবং শিক্ষক প্রশিক্ষণ জোরদার অন্তর্ভুক্ত। সরকার আধুনিক শ্রেণিকক্ষ গঠনের জন্য ডিজিটাল কন্টেন্ট ও ইন্টারঅ্যাকটিভ প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর পাশাপাশি লার্নিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (এলএমএস), স্মার্ট মূল্যায়ন এবং শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ এক প্ল্যাটফর্মে আনার পরিকল্পনা করেছে। আগামী জুলাই-আগস্ট মাসে পাইলট প্রজেক্টের মাধ্যমে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১.৭ কোটির বেশি শিক্ষার্থীকে বিনামূল্যে খাবার, ইউনিফর্ম, জুতা, মোজা ও স্কুল ব্যাগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া, মে মাসে নগদের মাধ্যমে সরকারি ভাতা ও উপবৃত্তি হিসেবে প্রায় ২৪০০ কোটি টাকা বিতরণ করা হয়েছে, যার মধ্যে সামাজিক নিরাপত্তা নেটওয়ার্ক (এসএসএন) কর্মসূচির চতুর্থ কিস্তির আওতায় দেড় হাজার কোটি টাকা এবং প্রাথমিক শিক্ষা উপবৃত্তি কর্মসূচির আওতায় ৫৭৯ কোটি টাকা অন্তর্ভুক্ত। আগামী শিক্ষাবর্ষে চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে চারটি নতুন বিষয় যুক্ত হবে: চতুর্থ শ্রেণিতে ক্রীড়া ও সংস্কৃতি, ষষ্ঠ শ্রেণিতে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা এবং 'লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস'। এই বিষয়গুলো বাধ্যতামূলক হবে এবং শিক্ষার্থীদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করবে। পুরো নতুন শিক্ষাক্রম ২০২৮ সাল থেকে বাস্তবায়ন করা হবে, তবে ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
কোন পত্রিকা কীভাবে লিখেছে
প্রতিটি পত্রিকা কোথায় দাঁড়িয়েছে