সরকারি চাকরিজীবীদের সম্পদের হিসাবের কী হবে?
অন্তর্বর্তী সরকারের আওতায় ২০২৪ সালে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বার্ষিক সম্পদ বিবরণী জমা দেওয়ার ব্যবস্থা চালু হয়। এই ব্যবস্থার অধীনে এ পর্যন্ত ৬,৫২৪ জন কর্মকর্তা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সম্পদের হিসাব জমা দিয়েছেন, যার মধ্যে প্রশাসন ক্যাডারের ৫,২৯১ জন, নন-ক্যাডারের ৩৫৫ জন এবং অন্যান্য ক্যাডারের ৬২১ জন রয়েছেন। এ হিসাবগুলো জমা দেওয়ার সময়সীমা প্রথমে ৩০ নভেম্বর নির্ধারণ করা হয়, পরে পরপর কয়েকবার বাড়িয়ে ২০২৫ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত করা হয়। এখন বর্তমান সরকার এই বার্ষিক হিসাব দাখিলের ব্যবস্থা অব্যাহত রাখবে কিনা নিয়ে প্রশাসনে আলোচনা চলছে। একই সঙ্গে সম্পদ হিসাব সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও যাচাই প্রক্রিয়া সহজ ও স্বয়ংক্রিয় করার পরিকল্পনা রয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকার দুর্নীতি প্রতিরোধ ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই ব্যবস্থা চালু করেছিল। অন্যদিকে, ঢাকার গুলশান, বনানী, ধানমন্ডি, রমনা ও মতিঝিলের মতো অভিজাত এলাকায় ১২৩টি সরকারি পরিত্যক্ত বাড়ি দীর্ঘদিন ধরে প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের অবৈধ দখলে রয়েছে। এগুলো সরকারের নিয়ন্ত্রণে নেই এবং দখলদাররা আদালতে মামলা ও রিট করে উদ্ধার বাধা দিচ্ছে। এ বাড়িগুলো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত হয়ে প্রতি মাসে কোটি কোটি টাকা আয় করছে।
কোন পত্রিকা কীভাবে লিখেছে
প্রতিটি পত্রিকা কোথায় দাঁড়িয়েছে