মৃত্যুদণ্ডের রায় কার্যকরের আগে পেরোতে হয় একাধিক ধাপ
রাজধানীর পল্লবীতে ৮ বছরের শিশু রামিসা আক্তারের ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন ৭ জুন প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দেন। রায়ে সোহেল রানাকে ৫ লাখ টাকা এবং স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড আরও দেওয়া হয়, যা নিহত শিশুর পরিবারকে দেয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ঘটনাটি ১৯ মে ঘটে, যখন রামিসা স্কুলে যাওয়ার পথে স্বপ্না আক্তারের কৌশলে নিজেদের কক্ষে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাকে ধর্ষণ করে হত্যা করা হয়। মা-বাবা ও অন্যান্য বাসিন্দারা দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে শিশুর খণ্ডিত লাশ দেখেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয় এবং সোহেল রানাকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার সামনে থেকে গ্রেফতার করে। মামলা ২০ মে দায়ের হয় এবং তদন্ত শেষে ২৪ মে চার্জশিট দাখিল হয়। ট্রাইব্যুনালে মামলার বিচার ১৭ দিনের মধ্যে সম্পন্ন হয়। রায়ের পর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী, রামিসার বাবা এবং বিচারক সবাই রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। তবে রায় কার্যকর হওয়ার আগে উচ্চ আদালতে ডেথ রেফারেন্স, আপিল, রিভিউ শুনানি এবং রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদনের মতো আইনি ধাপ অতিক্রম করতে হবে।
কোন পত্রিকা কীভাবে লিখেছে
প্রতিটি পত্রিকা কোথায় দাঁড়িয়েছে