চামড়া শিল্পের সুদিন ফেরাতে হবে
বাংলাদেশে কোরবানির ঈদ শুধু ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি দেশের বৃহত্তম মৌসুমি অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু। চলতি বছর দেশে প্রায় ১ কোটি ২৩ লাখ ৩৩ হাজার কোরবানির পশু উৎপাদিত হয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ১ কোটির বেশি পশু কোরবানি হয়েছে। ফলে প্রায় ২২ লাখ পশু অবিক্রিত হয়ে থাকার কারণে খামারিদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। এই অতিরিক্ত সরবরাহ পশুর দাম কমানোর আশঙ্কা তৈরি করেছে। চামড়া শিল্পের ক্ষেত্রে সরকার প্রতি বছর ন্যূনতম মূল্য ঘোষণা করলেও বাজারে সেই মূল্যে চামড়া বিক্রি হয় না। ট্যানারি মালিক ও বড় আড়তদাররা সরকারি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অনেক কম দামে কাঁচা চামড়া কিনেছেন, যার ফলে মৌসুমি ছোট ব্যবসায়ী ও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ক্ষতির মুখে পড়েছেন। সিলেট বিভাগের কওমি মাদরাসাগুলো এবার কোরবানির চামড়া সংগ্রহ করবে না, কারণ তারা পরিবহন খরচ করেও চামড়া বিক্রি করে টাকা ফেরত পায় না। এই সিদ্ধান্ত সরকারের অকার্যকর নীতি ও বাজারে সিন্ডিকেটের প্রভাবের কারণে গৃহীত হয়েছে। একই সমস্যা প্রতি বছর পুনরাবৃত্তি হচ্ছে, যা চামড়া শিল্পের স্থায়ী উন্নয়নের অভাবের প্রমাণ। অন্যদিকে, তরুণ কবি আরফান হোসাইন রাফির নতুন কাব্যগ্রন্থ 'সুদিন ফিরে আসছে' প্রকাশিত হয়েছে, যা জীবনের যন্ত্রণা, প্রেম-বিরহ ও মনোজগতের হাহাকারকে কেন্দ্র করে লেখা হয়েছে। বইটি ইতোমধ্যে পাঠকদের আগ্রহ কাড়ছে এবং দেশের অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০২৬-এ পাওয়া যাবে।
কোন পত্রিকা কীভাবে লিখেছে
প্রতিটি পত্রিকা কোথায় দাঁড়িয়েছে